বই পড়া অনুচ্ছেদ(৩টি অনুচ্ছেদ) বই পড়া অনুচ্ছেদ রচনা


Table of Contents

বই পড়া অনুচ্ছেদ-১

বই জ্ঞানের উৎস। জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই। সবচেয়ে ভালো কাজ হলো বই পড়া। বই পড়ার মাধ্যমে আমরা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করি। মানুষের মেধা ও চিন্তার বিকাশের অন্যতম মাধ্যম বই। বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠায় সমস্ত সময়ের এবং সমস্ত দেশের ঘটনা লিপিবদ্ধ রয়েছে। মানুষের জীবন নিরবচ্ছিন্ন সুখের উৎস নয়। প্রতি মুহূর্তে জীবন সংগ্রামে নিয়োজিত থাকায় নানা চিন্তায় মগ্ন থাকতে হয় মানুষকে। নির্মল আনন্দের উৎস খুঁজে পাওয়া বিরল। বই পড়ে আমরা সহজেই সেই নির্মল আনন্দের উৎস খুঁজে পাই। বই পড়লে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান পাওয়া যায়। বই মানুষের শ্রেষ্ঠ সঙ্গী। যাইহোক, একটি বইয়ের পাতায় উল্লিখিত ইতিবাচক জ্ঞান তখনই অর্জন করা যায় যখন একজন ব্যক্তি একটি ভাল বই বেছে নেয়। অনেক ধরনের বই আছে। বিশুদ্ধ জ্ঞান তখনই অর্জিত হতে পারে যখন আমরা সঠিক ও ভালো বইকে আমাদের সঙ্গী হিসেবে বেছে নেব। বই আমাদের নিঃস্বার্থভাবে উপকার করে। একটি বই সময়ে সময়ে জ্ঞান ছড়িয়ে দেয়। মানুষকে স্ব-শিক্ষিত ও সুশিক্ষিত করে তোলে। বই পড়ে বিশুদ্ধ জ্ঞান অন্বেষণ করা জ্ঞানী ব্যক্তির কর্তব্য। তাই সঠিক জ্ঞান ও জীবনযাপনের পথ খুঁজতে হলে অবশ্যই ভালো বই পড়তে হবে

বই পড়া অনুচ্ছেদ
বই পড়া অনুচ্ছেদ
এক থেকে একশ বানান(১ থেকে ১০০); এক দুই বানান
পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না; ভাবসম্প্রসারণ;

বই পড়া অনুচ্ছেদ-২

বই জ্ঞানের উৎস। মানুষের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু বই। বইয়ের পাতার কালো অক্ষরে জমা হয়ে আছে মানব জাতির জ্ঞানের পরবর্তী ধারা। বই হচ্ছে জ্ঞানের ধারক হিসেবে অতীত ও বর্তমানের মধ্যে সেতুবন্ধন। মানুষের সেরা অভ্যাস বই পড়া। এটা নির্মল আনন্দের উৎস। বই পড়ার আনন্দের কথা শুধু বইপ্রেমীরাই জানেন। যুগে যুগে মানুষ বই পড়ে, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার জগতকে প্রসারিত করে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছে। মনকে প্রসারিত করতে বই পড়ার বিকল্প নেই। দৈনন্দিন জীবনের দুর্দশা, ক্লান্তি ও হতাশা যখন মানুষের মনকে বিষিয়ে তোলে, তখনই বই পড়লেই পাওয়া যায় অস্বাভাবিক আনন্দ। পণ্ডিতদের জীবনী পাঠে তাদের বই পড়ার অভ্যাস এবং মন গঠনে এর প্রভাব সম্পর্কে জানা যায়। এই বিশাল পৃথিবীকে জানতে হলে বইয়ের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে। জ্ঞানতত্ত্বের বিভিন্ন শাখায় মানুষের ধ্যানের প্রতিফলন বইয়ের পাতায় স্থান পেয়েছে। সাহিত্যের স্বাদ পেতে, বিজ্ঞানের বৈচিত্র্যময় জগতে হারিয়ে যেতে বা ইতিহাস, দর্শন ও জ্ঞানের যেকোনো শাখায় বিচরণ করার একমাত্র উপায় বই পড়া। তবে পড়ার জন্য বই বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক ও সতর্ক হতে হবে। পাঠকের রুচি ও মানসিক পরিপক্কতার আলোকে বই নির্বাচন করতে হবে। একটি ভালো বই পাঠককে উৎকর্ষ করতে পারে, প্রিয় কবির লেখা প্রিয় কবিতার একটি লাইন পাঠকের মনে মধুর আবেশ ছড়িয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, একটি খারাপ বই পাঠকের মনকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে পারে। ভালভাবে বাছাই করা বই পড়া একাকীত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার এবং উপভোগ করার অন্যতম সেরা উপায়। ঘরে বসে বই পড়লে আমরা বিশ্বের সেরা চিন্তাবিদদের সান্নিধ্য পেতে পারি, তাদের চিন্তা ও অনুভূতির সাথে পরিচিত হতে পারি। এই নশ্বর পৃথিবীতে অলৌকিক সুখ শুধু বই পড়েই পাওয়া যায়। তাই বলা যায় সত্য, সৌন্দর্য ও কল্যাণে পরিপূর্ণ জীবন গঠনে; বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

বই পড়া অনুচ্ছেদ
বই পড়া অনুচ্ছেদ

আরো পড়তে পারেনবাংলা নববর্ষ রচনা;পহেলা বৈশাখ রচনা(বাংলা রচনা)
শীতের সকাল অনুচ্ছেদ; অনুচ্ছেদ ও অনুচ্ছেদ রচনা1

বই পড়া অনুচ্ছেদ-৩

বই জ্ঞানের উৎস। মানবজীবনের চিন্তা-চেতনার বাস্তব প্রতিফলন বইয়ের পাতায় কালি অক্ষরে ছাপা হয়। তাই বই মানুষের চিরন্তন বিশ্বস্ত সঙ্গী। বই মানুষের জীবনকে করে তোলে আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক। মানুষের সেরা অভ্যাস বই পড়া। বই পড়লে আনন্দ ও বেদনার কাব্যিক, দার্শনিক সত্য মনে আসে। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের জীবন হয়ে ওঠে মধুর ও নিখুঁত। সহানুভূতি, ভালবাসা এবং স্নেহের কথা মনে করিয়ে দেয়। যুগে যুগে বই মানুষের মনে এনে দিয়েছে ত্যাগের দীক্ষা, সত্য ও সুন্দরের সাধনা। ইতিহাস, ভূগোল, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি বই পড়ে মানুষ তাদের ক্ষুধা মেটাচ্ছে। বই মানুষের চোখকে আরও উদার ও মন ভালো করে। দুঃখ, বিষাদ, উত্তাপ, হতাশা ও সংঘাতে ভরা পৃথিবীতে বই মানুষের সুখের সেরা বন্ধু। যুগে যুগে মানুষ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বইয়ে তাদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের কথা লিখেছেন। আমরা বই পড়ি। আমি তখনই সেই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে পরিচিত হতে পারি। আর আমরা জানতে পারি যুগে যুগে আবির্ভূত মহামানব ও ঋষিদের স্বপ্ন ও আদর্শ। তাদের পথ অনুসরণ করে আমরা নিজেদের মধ্যে শুভ্র চেতনা গড়ে তুলতে পারি। এর মাধ্যমে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ পথ তৈরি করতে পারি। বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে সঠিকভাবে শিক্ষিত করে তোলে। কারণ, সুশিক্ষিত হতে হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাই যথেষ্ট নয়। এর জন্য আমি আমার মনকে প্রসারিত করতে চাই। আর তা অর্জন করা সম্ভব শুধুমাত্র বই পড়ে। তা ছাড়া একটি ভালো বই মানুষের একাকীত্ব ও নির্মল আনন্দ দূর করার সর্বোত্তম উপায়। একটি আদর্শ বই আমাদের আলোর পথ দেখাতে পারে, আমাদের অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে পারে। তাছাড়া বই পড়ার মাধ্যমে সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে। বই মানুষকে সৃজনশীল এবং উপভোগ্য করে তোলে। তাই উন্নত জাতি গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই।

আমাদের সাথে যুক্ত হতে লাইক দিন নববহ্নি পেজ এ

Check Also

স্বাধীনতা দিবস রচনা

স্বাধীনতা দিবস রচনা- (২৬শে মার্চ ) Independence Day Essay (26 March) (বাংলা রচনা)

স্বাধীনতা দিবস রচনা independence day paragraph ভূমিকা: স্বাধীনতা মানে স্বাধীন বা স্বাধীন হওয়ার অবস্থা। স্বাধীনতা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *